বাংলায় নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা ও ওষুধ তথ্য

আমাদের যান্ত্রিক ও অনিয়মিত জীবনযাত্রায় পেটের সমস্যা একটি অত্যন্ত সাধারণ ঘটনা। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, দূষিত পানি বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণে পরিপাকতন্ত্রে পেশীর তীব্র সংকোচন ঘটে, যার ফলে পেটে অসহ্য যন্ত্রণাদায়ক ব্যথার সৃষ্টি হয়, চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় যাকে ‘স্পাজম’ (Spasm) বলা হয়। এই পরিস্থিতিতে পরিপাকতন্ত্রের ভেতরে পানির ভারসাম্য বজায় রেখে পেট পরিষ্কার করা এবং অ্যামোনিয়া শোষণ কমানো অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশে পেট ব্যথার এই ধরণের সমস্যা এবং অন্যান্য প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে চিকিৎসকদের অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও বহুল ব্যবহৃত একটি ওষুধ হলো Norvis (নরভিস)। স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের উৎপাদিত এই এন্টিস্পাজমোডিক ওষুধের মূল উপাদান টাইমোনিয়াম মিথাইলসালফেট (Tiemonium Methylsulphate), যা পরিপাকতন্ত্র এবং শরীরের অন্যান্য অংশের পেশী শিথিল করে ব্যথার অনুভূতি কমিয়ে দেয়। আজকের নিবন্ধে আমরা নরভিস ওষুধের উপাদান, সঠিক মাত্রা এবং এর যৌক্তিক ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।
জরুরি মেডিকেল ডিসক্লেমার (Medical Disclaimer): নরভিস উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের একটি অত্যন্ত কার্যকরী প্রেসক্রিপশন-অনলি (Rx) ওষুধ। এটি কোনো সাধারণ সিরাপ বা লোশন নয় যে ইচ্ছেমতো সেবন করা যাবে। একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ এবং নিয়মিত রক্তচাপ মনিটরিং ছাড়া নিজের ইচ্ছামতো এই ওষুধ সেবন করা শরীরে স্থায়ী ক্ষতির কারণ হতে পারে।
Table of Contents
Toggleনরভিস হলো মূলত একটি এন্টিস্পাজমোডিক (Antispasmodic) গোত্রের ওষুধ, যা শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গের মসৃণ পেশীগুলোকে (Smooth Muscles) শিথিল করতে কাজ করে।
জেনেরিক নাম: টাইমোনিয়াম মিথাইলসালফেট (Tiemonium Methylsulphate)।
ওষুধের শ্রেণি: এন্টিস্পাজমোডিক (Antispasmodic) / পেশী শিথিলকারী।
কাজের ধরন: কোলনের অভ্যন্তরে পানির চাপ বাড়িয়ে এবং পিএইচ (pH) কমিয়ে মলত্যাগ সহজ করে এবং অ্যামোনিয়া গ্যাস শোষণ রোধ করে। এটি পরিপাকতন্ত্র, বিলিয়ারী সিস্টেম, ইউটেরাস ও মূত্রথলীর পেশীর অস্বাভাবিক সংকোচনকে শিথিল করে ব্যথা উপশম করে।
রোগীর প্রয়োজন এবং চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী এটি ট্যাবলেট, ইঞ্জেকশন এবং সিরাপ আকারে বাজারে পাওয়া যায়:
১. নরভিস ট্যাবলেট (Norvis Tablet): প্রতিটি বাক্সে রয়েছে ৫০টি ট্যাবলেট। * (প্রতিটি ট্যাবলেটে আছে টাইমোনিয়াম মিথাইলসালফেট ৫০ মি.গ্রা.)।
২. নরভিস ইঞ্জেকশন (Norvis Injection): প্রতিটি বাক্সে রয়েছে ১০টি অ্যাম্পুল। * (প্রতি ২ মি.লি. এ্যাম্পুলে আছে টাইমোনিয়াম মিথাইলসালফেট ৫ মি.গ্রা.)।
৩. নরভিস সিরাপ (Norvis Syrup): প্রতিটি বোতলে আছে ১০০ মি.লি. সিরাপ পরিমাপক কাপসহ। * (প্রতি ৫ মি.লি. সিরাপে আছে টাইমোনিয়াম মিথাইলসালফেট ১০ মি.গ্রা.)।
এই ওষুধটি মূলত নিম্নলিখিত নির্দিষ্ট চিকিৎসাগত অবস্থায় প্রদাহ কমাতে নির্দেশিত:
১. পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা: গ্যাস্ট্রোএন্ট্রাইটিস, ডায়রিয়া, ডিসেন্ট্রি, এন্টারোকোলাইটিস এবং কোলোনোপ্যাথাজনিত পেট ব্যথা কমাতে। ২. বিলিয়ারী কলিক: পিত্তথলি বা পিত্তনালীর তীব্র সংকোচনজনিত ব্যথা উপশমে। ৩. কলিসিস্টাইটিস: পিত্তথলির প্রদাহজনিত ব্যথায়। ৪. মূত্রথলীর সমস্যা: সিসটাইটিস (মূত্রথলির প্রদাহ) এবং মূত্রনালীর সংকোচনজনিত ব্যথায়। ৫. স্পাজমোডিক ডিসমেনোরিয়া: মাসিকের সময় জরায়ুর পেশীর অস্বাভাবিক সংকোচনের কারণে সৃষ্ট ব্যথায়।
নরভিস ওষুধের সঠিক ডোজ রোগীর শারীরিক অবস্থা এবং রোগের তীব্রতা অনুযায়ী চিকিৎসক নির্ধারণ করে থাকেন।
সেবনের সাধারণ নিয়ম: এই ট্যাবলেটটি দিনে একবার খাবারের আগে বা পরে পর্যাপ্ত পানি দিয়ে সেবন করা উচিত। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার উচিত নয়।
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা: সাধারণত চিকিৎসকেরা ২-৬ টি ট্যাবলেট (১০০ মি.গ্রা. থেকে ৩০০ মি.গ্রা.) দিনে ২ বার বা চিকিৎসকের নির্দেশনা মেনে সেবন করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা: ১ টি করে এ্যাম্পুল (৫ মি.গ্রা.) দিনে ৩ বার ইনট্রামাসকুলার (IM) অথবা ইনট্রাভেনাস (IV) পথে ধীরে ধীরে প্রয়োগ করতে হবে। এটি শুধুমাত্র হসপিটালে বা চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে প্রয়োগযোগ্য।
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা: দৈনিক ৩০ মি.গ্রা. ১০ মি.গ্রা. অথবা ১৫ মি.লি. – ৪৫ মি.লি. করে ৩ বার বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেব্য। (দৈনিক ৩ টি বিভক্ত মাত্রায়)।
শিশুদের ক্ষেত্রে মাত্রা: শিশুদের ক্ষেত্রে ডোজ সম্পূর্ণভাবে চিকিৎসকের দ্বারা তাদের শরীরের ওজন (mg/kg) এবং বয়সের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়। প্রতি কেজি দৈহিক ওজনের জন্য দৈনিক ৩ মি.গ্রা. ৬ মি.গ্রা. অথবা ১.৫ মি.লি. – ৩ মি.লি. করে ৩ টি বিভক্ত মাত্রায়। শিশুদের জন্য চিকিৎসকের সুনির্দিষ্ট পরামর্শ এবং কড়া মনিটরিং ছাড়া এটি ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
ওষুধটির উপাদানের কারণে নিম্নলিখিত শারীরিক জটিলতায় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা আবশ্যক:
১. গ্লুকোমা: টাইমোনিয়াম মিথাইলসালফেট গ্লুকোমা রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না। ২. চোখের সমস্যা: যেসব রোগীর একিউট আইবল পেইন (Acute eyeball pain) এবং সেইসাথে দৃষ্টির সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ৩. প্রোষ্টেট বা মূত্রথলীর সমস্যা: যাদের প্রোষ্টেট (Prostate abnormality) অথবা ইউরিনারী ব্লাডারের অস্বাভাবিকতা আছে, তাদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যাবে না।
গর্ভাবস্থা (Pregnancy): গর্ভাবস্থায় এই ওষুধের ব্যবহার নিয়ে কোনো বিশেষ সমস্যার রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গর্ভবতী মায়েদের এটি সেবন করা পরিহার করা উচিত। ভ্রূণের বৃদ্ধির ক্ষতির তুলনায় লাভের পরিমান যাচাই করে তবেই চিকিৎসক এটি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত দিতে পারেন। গর্ভাবস্থায় স্রণের ক্ষতি অপেক্ষা মায়ের উপকৃত হবার সম্ভাবনা বেশি থাকলে ব্যবহার করা যাবে।
স্তন্যদানকাল (Lactation): স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে ওলিকড বা কড লিভার অয়েল মাতৃদুগ্ধে নিঃসৃত হয় কিনা জানা যায়নি। যথেষ্ট তথ্য প্রমাণাদি না থাকায় স্তন্যদানকালে ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। ভ্রূণের ক্ষতি অপেক্ষা মায়ের উপকৃত হবার সম্ভাবনা বেশি থাকলে ব্যবহার করা যাবে। শিশুদের ক্ষেত্রে ভ্রূণের ক্ষতির ঝুঁকি অপেক্ষা মায়ের উপকৃত হবার সম্ভাবনা বেশি থাকলে ব্যবহার করা যাবে। তাই স্তন্যদানকালে এটি সেবনের পূর্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া বাধ্যতামূলক।
অকুল্যান্ট সেবনকালে নিম্নলিখিত ওষুধের সাথে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত:
১. বারবিচুরেট বা এন্টিকনভালসেন্ট: এই জাতীয় ওষুধগুলো (যেমন—ফেনোবারবিটাল, ফেনিটেইন) কড লিভার অয়েলের শোষণ কমিয়ে দিতে পারে, যার ফলে সাপ্লিমেন্টটির কার্যকারিতা কমে যায়। চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত অন্য ওষুধের সাথে নরভিস ব্যবহার করা যাবে না।
নরভিস নির্দেশিত মাত্রায় সেবনে সাধারণত সুসহনশীল। তবে সেবনের শুরুতে কিছু মৃদু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে:
নার্ভাস সিস্টেম: মাথা ঝিম্ ঝিম্ ভাব, কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের অবনমন অথবা উত্তেজনা, তন্দ্রাচ্ছন্নভাব।
পরিপাকতন্ত্র: পরিপাকতন্ত্রের গোলমাল (যেমন—বমি বমি ভাব, পেট ফাঁপা)।
অন্যান্য: মুখ-নাক-গলার শুষ্কতা, মূত্রত্যাগে অক্ষমতা (Urinary retention) ইত্যাদি। স্বভাবত খুবই অল্প পরিমান পার্শ্ব- প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
যদি কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দীর্ঘস্থায়ী হয় বা তীব্র আকার ধারণ করে, তবে অবিলম্বে ব্যবহার বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
সরবরাহ ও প্যাক সাইজ: নরভিস বিভিন্ন ফর্মে সরবরাহ করা হয়:
ট্যাবলেট: প্রতিটি বাক্সে ৫০টি ট্যাবলেট (খ্রিস্টার প্যাকে)।
ইঞ্জেকশন: প্রতিটি বাক্সে ১০টি এ্যাম্পুল (রিস্টার প্যাকে)।
সিরাপ: প্রতিটি বাক্সে ১০০ মি.লি. সিরাপ PET বোতলে परिমাপক কাপসহ।
সংরক্ষণ নিয়ম: ওষুধটি ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (২৫-৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে) কোনো শুষ্ক ও ঠান্ডা স্থানে সংরক্ষণ করুন। সরাসরি কড়া সূর্যালোক, তীব্র আলো ও অতিরিক্ত আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন। বোতলের মুখ ব্যবহারের পর শক্ত করে আটকে রাখুন। অবশ্যই শিশুদের নাগালের সম্পূর্ণ বাইরে রাখুন। ইঞ্জেকশন খোলার পর ১ মাসের মধ্যে ওষুধটি ব্যবহার করে শেষ করতে হবে।
রাসায়নিক দিক থেকে ঔষধ একটি ক্রিয়াশীল পদার্থ। তাই বলা হয়, নির্দিষ্ট মাত্রায় ও নির্দিষ্ট রোগে ব্যবহৃত না হলে ঔষধ পরিণত হয় বিষে, যা কেড়ে নিতে পারে একাধিক জীবন। আমাদের সমাজে সামান্য পেট জ্বালাপোড়া বা অস্বস্তি হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই ফার্মেসি থেকে নিজের ইচ্ছামতো ওকুল্যান্টের মতো আই ড্রপ এনে বোতল কে বোতল সেবন করতে থাকেন এবং ভাবেন এটি বুঝি সাধারণ সিরাপ। চিকিৎসাবিজ্ঞানের বৈজ্ঞানিক ও চিরন্তন নিয়ম হলো—সঠিক রোগ নির্ণয় ছাড়া এবং সুনির্দিষ্ট মাত্রার বাইরে দীর্ঘদিন যেকোনো ওষুধ সেবন শরীরে স্থায়ী ক্ষতির কারণ হতে পারে।
নরভিস একটি অত্যন্ত কার্যকর এন্টিস্পাজমোডিক ওষুধ, যা পরিপাকতন্ত্র এবং শরীরের অন্যান্য অংশের পেশী শিথিল করে ব্যথা উপশমে দ্রুত আরাম দেয়। তবে মনে রাখতে হবে, এটি একটি স্টেরয়েডযুক্ত ওষুধ। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাসের পর মাস একটানা সেবন করলে অন্ত্র প্রাকৃতিকভাবে মলত্যাগের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলতে পারে, যাকে ‘ল্যাক্সেটিভ ডিপেন্ডেন্সি’ বলা হয়। এ ছাড়া অতিরিক্ত ও অনিয়ন্ত্রিত সেবনের কারণে শরীর থেকে প্রচুর পানি ও প্রয়োজনীয় খনিজ লবণ (যেমন—পটাশিয়াম ও সোডিয়াম) মলের সাথে বেরিয়ে যেতে পারে, যা থেকে চরম পানিশূন্যতা ও ইলেকট্রোলাইট ইমব্যালেন্স হতে পারে। বিশেষ করে বয়স্ক ও ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এই ওষুধের মাত্রা চিকিৎসকের দ্বারা নির্ধারিত হওয়া উচিত, কারণ এর ভেতরে সামান্য পরিমাণে ল্যাকটোজ ও গ্যালাকটোজ শর্করা থাকে। তাই ওষুধের যৌক্তিক ও নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করতে চিকিৎসকের নির্দেশ কঠোরভাবে মেনে চলা বাধ্যতামূলক। সচেতনতাই সুস্থ জীবনের মূল ভিত্তি।
১. নরভিস আই ড্রপ কি কন্টাক্ট লেন্স পরা অবস্থায় ব্যবহার করা যাবে?উত্তর: না, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওকুল্যান্ট আই ড্রপ কন্টাক্ট লেন্স পরা অবস্থায় ব্যবহার করা উচিত নয়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রোগের সঠিক কারণ নির্ণয় করে এটি সেবন করা উচিত। শিশুদের জন্য চিকিৎসকের সুনির্দিষ্ট পরামর্শ এবং কড়া মনিটরিং ছাড়া এটি ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
২. দিনে কতবার এই ড্রপ ব্যবহার করা উচিত?উত্তর: ওকুল্যান্ট ড্রপটি সাধারণত প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে চিকিৎসকের নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। নরভিস ট্যাবলেট ২-৬ টি ট্যাবলেট (১০০ মি.গ্রা. থেকে ৩০০ মি.গ্রা.) দিনে ২ বার বা প্রয়োজন অনুযায়ী সেবন করা হয়। এটি কোনো উদ্দীপক বা তীব্র জোলাপ নয় যে খাওয়ার সাথে সাথেই পেট মোচড় দিয়ে পায়খানা হবে। বৃহদান্ত্রে গিয়ে ল্যাকটুলোজের ব্যাকটেরিয়া দ্বারা ভাঙতে এবং পানি টেনে মল নরম করতে সাধারণত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা (১ থেকে ২ দিন) সময় লাগে। কাঙ্ক্ষিত নিয়ন্ত্রণে আসতে সাধারণত ২ থেকে ৪ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। তাই ধৈর্য ধরে চিকিৎসকের নির্দেশিত মেয়াদে এটি সেবন করতে হবে।
৩. এই ওষুধটি কি গর্ভাবস্থায় ব্যবহার করা যাবে?উত্তর: না, গর্ভাবস্থায় নরভিস আই ড্রপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা এবং কার্যক্ষমতা এখনও প্রতিষ্ঠিত নয়। ভ্রূণের ক্ষতির ঝুঁকি অপেক্ষা মায়ের উপকৃত হবার সম্ভাবনা বেশি থাকলে চিকিৎসক এটি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত দিতে পারেন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গর্ভবতী মায়েদের এটি সেবন করা পরিহার করা উচিত।
এই লেখা শুধুমাত্র শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে। ওষুধ সেবনের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সুস্থ থাকার প্রধান চাবিকাঠি হলো একটি সচল পরিপাকতন্ত্র। আমরা প্রতিদিন যে শর্করা, আমিষ কিংবা চর্বিযুক্ত খাবার খাই, তা…
মার্চ 9, 2024
আধুনিক যুগের তীব্র প্রতিযোগিতা, মানসিক চাপ কিংবা পারিপার্শ্বিক নানা কারণে আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ভারসাম্য বিঘ্নিত হওয়া অত্যন্ত সাধারণ…
মার্চ 9, 2024বাংলায় সহজ ভাষায় ওষুধ নির্দেশিকা, রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার এবং মেডিকেল পাঠ্যক্রম।
© মেডিকেল গুরুকুল। এই সাইটের তথ্য শুধুমাত্র শিক্ষামূলক; ওষুধ সেবনের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।